চুদে চুদে আমার গুদ পাছা ব্যথা করে দিলেন

আমার নাম মহুয়া, বয়স ২৮ বছর, ঢাকায় থাকি। আমি বিবাহিতা, স্বামী বিদেশে থাকে। কয়েক বছর আগে আমার জোবনে একটাঘটনা ঘটে যায়। বলা যায় ঐ ঘটনার পর থেকেইআমার জীবনের নতুনএকটা অধ্যায় শুরু হয়েছে।আমার স্বামীর অফিসের বস একদিন আমাকে ফোন করে বললেন যে আমার স্বামী আমার জন্য কিছু জিনিস পাঠিয়েছে। তার বাসা থেকে সেগুলো নিয়ে আসতে। আমি পরদিন বসের বাসায় গেলাম। আমি সাধারনত বাসার বাইরে গেলে সাজগোজ করে যাই। সেদিনও বেশ সেজে বের হয়েছি। আমার পরনে একটা পাতলা সিল্কের শাড়ি। সাথে হাতাকাটা টাইট ব্লাউজ, খোলা পিঠ।আমি নাভির নিচে শাড়ি পরি। তাই যথারীতি নাভি বের করা। নাভির গর্তে একটা রিং লাগিয়েছি।

চাচাতো বোনকে চুদে ভোদা ফাটালাম

চাচাতো বোনের ফিগারটা ছিল এরকম পাঁচ ফুট পাঁচ ইঞ্চি লম্বা, গায়ের রং সামলা, হালকা লম্বাটে মুখমন্ডল, দুধের সাইজ ৩৪, মাংশল পাছা, মাজায় কার্ভযুক্ত যা ওকে আরো সেক্সি করে তুলেছিল। আমরা দুজনে একবিছানায় বসে বিভিন্ন ধরনের গল্প গুজোব করতাম। আমি অনেক চেষ্টা করেছি ওর বুকের দিকে তাকাবো না কিন্তু আমার চোখ যে ওর দুধের উপর থেকে যেন সরতইনা। কথাবার্তার সময়আমি তার দুধের দিকে মাঝে মাঝে তাকাতাম, মনে বার বার একটা চিন্তা আসতো ইস কিছু যদি করতে পারতাম মীমের সাথে। কিন্তু সাহস হতো না, মীম আর পাঁচটা মেয়ের মতো না, কলেজে যাদের দুধ অসংখ্য বার টিপেছি মীম তাদের মতো ও ছিলনা। যাই কোন মীম যখন হাটু গেড়ে কিংবা উবু হয়ে কোন কাজ করতো আমি ওর গলার ফাক দিয়ে ওর দুধ দেখার চেষ্টা করতাম। প্রথম দিন থেকেআমার এব্যাপার গুলো মীম লক্ষ্য করলেও কিছু বলতনা ।

মাসিমার গুদ চোদা চটি

সুতির লাল পাড় সাদা সাড়ি পরেছিলেন লাল ব্লাউস সঙ্গে কপালে টকটকএ সিন্দুর আর টিপ আর লাল খুব ছোট হাত ব্লাউস যেটাতে ব্রা টা just ঢাকা পড়ছিল. এদিকে পেছন দিকে সেই উঁচুত তো ছিলই. আমি বললাম মাসিমা একবার আপনার ওই বইছে হার টা হাত দিয়ে দেখতে পারি? উনি বললেন দেখ. আমি সারির পেছন দিক দিয়ে হাত দিলাম – আসল উদ্দেন্স্য ছিল ওনাকে ওই রূপ এ ছুয়ে দেখা. হাত দিয়ে দেখলাম যে উনি বোধহয় পান্টি ও পড়েছেন এখন. কিন্তু ভয় পেল এত যে আর সাহস হলো না. আমি বললাম বইছে হার টা খুলে দেখান না – উনি কোমর থেকে বার করে বললেন দেখ. আমি দেখলাম যে পেছনের বালা গুলো তে হাত এর কব্জি ঢুকিয়ে টিপে দিলেই আটকে যাবে. আমি বললাম মাসিমা একবারটি আপনার হাত দুটো আটকাবো? উনি বললেন না না – তাহলে তো মেসো কে আসতে হবে খুলতে. তখন আমার হিট খুব বেড়ে গেল. তবে সেদিন তারেকটু পরেই আমি ঘরে ফিরে এলাম এক বুক আশা নিয়ে যে পরে আরো কিছু হবে. একদিনেই সব আশা করা বারবারই হয়ে যাবে. এরপর আর একদিন পরে আবার মেশোর কাছ থেকে অফিস এ ফোন এলো. কি রে তুই তোর মাসিমার খোঁজখবর ভালো করে নিচ্ছিস না – মাসিমা বলছে

ভাবীর কুমারি পাছা

পেটিকোটের্ ফিতা খুলতেই বেরিয়ে এল ভাবীর শরীরের স্বর্গ। লদলদে চোখ ঝলসানো পাছার মাংশ্ যা আমাকে প্রথম থেকেই টানতো।প্রথমে পছায় হাত দিয়ে আমার শরীরের সাথে লাগালাম, কিছুক্ষন হাতটা রাগা ভাবীর পাছার সাথে ঘোষলাম। আমার একটা দুদের বোঁটাটা মুখে নিয়ে চাটতে শুরু করলাম। দুদ চুষতে চুষতে আমার পাছা ভোদায় নাড়তে নাড়তে ভাবী এতটাই হট হয়ে গেছে যে, য়ে ভাবী ভোদায় রসে ভরে গেছে। ভাব আমাকে বিছানার উপর টেনে নিয়ে পাটাকে ফাঁক করে বলল তোমার লাঠিটা ঢুকায় এখন। তারাতাড়ী আমার আর সইছে না। কিন্তু আমার মনে অন্য রকম চিন্তা ছিল। বন্ধু বান্ধবের কাছে শুনেছিলাম মেয়েদের ভোদায় চাটার কথা, মেয়েদের ভোদায় এর ভোদায় এর রস নকি খেতে দারুন লাগে। তাই এসব চিন্তা করে ভাবীর পায়ের ফাঁকে মুখ লাগালাম। তার পর জ্বিহা দিয়ে চাটতে শুরু করলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে রাগা পাগলের মতো আচারণ করতে শুরু করলো। দপায়ের ভর করে ভোদায়টা ওপর দিকে ঠেলছিল। আমি একদিকে জ্বিহা দিয়ে ভোদায় চাটছিলাম আর হাতদিয়ে ভোদায় এ ফিঙ্গারিং করছিলাম।